তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা?

তুমি জানতে পারোনি কি নিপুণভাবে গড়েছে তোমায় সে,
নাকের তিল, চোখের তারায় মায়া, কাঁধের পাশে টোলের আবির্ভাব ―
জাদুদণ্ড বুলিয়ে সে তোমাকে নিজের মতো করে আকার দিয়েছে!

তুমি টের পাওনি কীভাবে তোমার স্বরে মিষ্টতা দ্রবীভূত হয়েছে, 
ভ্রু যুগলের কাছে আসা, দূরে যাওয়ার ব‍্যবধানে কাব‍্য লেখা হয়েছে;
জলের মতো সহজ তোমার হাসি যত্নভাবে এঁকেছে সে!

তুমি কোনোদিন বোঝোনি, ভাবোনি, জানতে চাওনি
কে, বা, কারা তোমার জন্য বেঁচে থাকে, সুখে থাকে ―
তোমার অস্তিত্বের গল্প বলে বেড়ায় সে সব পরিযায়ীরা!

তুমি অন‍্য কারুর কথা ভেবে দিনাতিপাত করো, জানালার গ্রিল
বেয়ে নামতে থাকা বৃষ্টি দিয়ে লেখো অন‍্য কারুর নাম!
কিছুদিন পর, তোমার মনে ব‍্যথার ফাটল দেখা দেয়, চোখে জলধারা!

এভাবেই সময় যায় - তুমি অন‍্য কারুর নাম লেখো, চুল ঘেঁটে মাতাল চোখে বাড়ি ফেরো;
তবু, ভুলে যাও না তাদের নাম!
ভুলে যায় না তোমাকেও কেউ!

চিঠি আসে এক এক সকালে কোনো গুপ্ত ভালোবাসার মানুষের ―
"তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা?"
তুমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে চিঠি পুড়িয়ে ফেলো!


Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

কল্পকথা

উপলব্ধি